
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিকী অনুষদভুক্ত বাংলা ও ইংরেজি বিভাগের ১২ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃৃত্তি ও স্ট্যাইপেন্ড স্কলারশিপ-২০২৫ প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইংরেজি বিভাগের ২০৮ নম্বর শ্রেণি কক্ষে এ বৃত্তির নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী। এসময়
ইংরেজি বিভগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন, সহযোগী অধ্যাপক ড.মো.আবুল হায়াৎ, সহকারী অধ্যাপক ইসরাত জাহান নিমনী, সহকরী
অধ্যাপক তারিন বিনতে এনাম, প্রভাষক শাহিদা আফরিন,প্রভাষক মো.বুলবুল আহমেদ, প্রভাষক মো.ইমরান হোসেনসহ দুটি বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস বলেন, “আমাদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কয়েক বছর ধরে এ ধরনের প্রোগ্রাম আয়োজন করে আসছে কিন্তু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকার কারণে প্রতিবছর স্কলারশিপ দেওয়ার পূর্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো কিন্তু এবার উপাচার্য স্যার কয়েকবার মিটিং করে নির্দিষ্ট নীতিমালা দাড় করিয়েছেন যেটা অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড। আমি স্যারকে বলতে চাই শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও শিক্ষকদের জন্য প্রণোদনার বিষয়ে যে নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে তা যদি সিন্ডিকেটে অনুমোদন করানো যায় তবে পরবর্তী বছরগুলোতে কোনোপ্রকার বায়াস্ট বা কোনোকিছুর উর্দ্ধে থেকে নীতিমালা চালু হলে শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ ও শিক্ষকদের প্রণোদনায় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, “আজকের প্রোগ্রামটা ছোট পরিসরেও হলেও এটা একটা বড় আনন্দের দিন। যে আজ প্রথম হয়েছে তার জন্য আরও বড় চ্যালেঞ্জ হলো যে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। আজকে যে টাকাটা তোমাদের দেওয়া হবে সেই টাকা তোমরা টিউশন করেও ইনকাম করো কিন্তু সেই টাকা আর আজকের টাকার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এই টাকা তোমরা চা দোকানে বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে খরচা না করে চেষ্টা করবে এই টাকা দিয়ে ভালো বই কেনার জন্য এবং এই টাকার ছোট্ট একটা অংশ বাবা মাকে উপহার দেওয়ার জন্য। আজকের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো তোমরা উৎসাহিত হবা লেখাপড়ার প্রতি আরও তোমাদের মনোযোগ বাড়বে। “









