
গগন ফেরে চাঁদ উঠেছে
চাঁদনি এক রাতে।
তারই মাঝে গল্প জুড়েছে
নানা, নাতির সাথে।
নাতি কহে নানার কাছে
শুনেছো নাকি দৈত্য আছে।
নানা শুনে মুচকি হাসে
কয় নাতিরে—কথাটা যে মিছে।
বল নানা, তাহলে কেন
পত্রিকায় আসে ঘনঘন
ঘরের ছেলে উধাও হলো—
নেই কি দৈত্য দেশে?”
শুনেছি নাকি ডাইনি আছে।
ঘুরে বেড়ায় মানবি বেশে
সহসা সবার সুযোগ বুঝে,
ঘাড়টা মটকে রক্ত শুষে।
এবারো নানা মুচকি হাসে।
তাহলে কেন সে দিন ভোরে
পেলাম যারে পথের ‘পরে।
রক্তাক্ত সারা শরীর জুড়ে
বল কে করেছে এমন করে?
নানা কহে আপন মনে
নাহি দৈত্য কোনোখানে।
জানি কিছু জন্তু আছে।
অমানুষ তারা, তবে মানুষ সাজে।
হিংস্র দেও দানব যত
হার মানবে তাদের কাছে।
লেখক: শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।










