বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

উত্তরায় ভবনের আগুনে প্রাণ গেল কুমিল্লার নানুয়াদিঘীর একই পরিবারের তিনজনের

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - Three members of the same family from Nanuadighi, Comilla, died in a building fire in UttaraRising Cumilla - Three members of the same family from Nanuadighi, Comilla, died in a building fire in Uttara
উত্তরায় ভবনের আগুনে প্রাণ গেল কুমিল্লার নানুয়াদিঘীর একই পরিবারের তিনজনের/ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় লাগা ভয়বহ আগুনের ঘটনায় প্রাণ গেল কুমিল্লার নানুয়াদিঘীর একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সবাই দুটি পৃথক পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের একটি ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে ওই ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তরা ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং ৭টা ৫৮ মিনিটে পৌঁছে কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।

উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল আহমেদ জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক পরিবারের তিনজন এবং অন্য পরিবারের তিনজন রয়েছেন।

রফিকুল আহমেদ আরও জানান, ‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দোতলায় রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গ্যাস সংযোগ অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।’

নিহতদের মধ্যে এক পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান রয়েছেন। তারা হলেন- কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘীর পশ্চিম পাড় কাজী বাড়ী নিবাসী Fair & Faith এপার্টমেন্টের কাজী খোরশেদ আলমের ছেলে কুমিল্লা জিলা স্কুলের ২০০৫ ব্যাচের কাজী রিজভী, তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা ও তাদের সন্তান।

কাজী ফজলে রাব্বী রিজভী এসকেএফ ঔষধ কোম্পানীর, এবং তার স্ত্রী সুবর্ণা স্কয়ার ঔষধ কোম্পানীর ঊর্ধ্বতন কর্মকতা ছিলেন। রিজভীর মা ফেরদৌস আরা নওয়াব ফয়জুন্নেসা স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।

নিহত অন্য তিনজন হলেন- ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার দড়িপারশী এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারিছ উদ্দিন ও মো. রাহাব এবং শহিদুলের মেয়ে রোদেলা।

আরও পড়ুন