
কুমিল্লা—৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে করা আপিল নামঞ্জুর করেছে কমিশন। ফলে তার মনোনয়ন বৈধতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ শুনানির পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির উদ্দিন আপিল নামঞ্জুর করে মনোনয়ন বৈধতা ঘোষণা করেন।
কমিশন সূত্র জানায়, কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন মনোনয়ন বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন। আপিলে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়:
পূর্বাচল ফুয়েলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনিরুল হক চৌধুরীর ঋণ গ্রহণ এবং তা হলফনামায় উল্লেখ না করা। মনির টাওয়ার নামক সম্পত্তির তথ্য গোপন রাখা। নির্ভরশীল প্রতিনিধিদের তথ্য না প্রদান।
এর প্রতিক্রিয়ায় মনিরুল হক চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল কমিশনকে জানান, পূর্বাচল ফুয়েলস লিমিটেডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব তিনি পালন করছেন না; এটি তার স্ত্রী বেগম আজিজুন্নেসা দেখছেন। বিষয়টি প্রমাণ করতে ব্যাংকের কর্তৃক প্রদত্ত ডকুমেন্টস কমিশনকে সরবরাহ করা হয়েছে। মনির টাওয়ারের মালিকানা তিনি পূর্বেই তার সন্তানদের নামে লিখে দিয়েছেন। নির্ভরশীলদের তথ্য দিতে বাধ্যতা নেই, এটি ঐচ্ছিক; সেজন্য এটি প্রদান না করলেও কোনো সমস্যা নেই।
দুপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন আপিল নামঞ্জুর করে মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে শুনানির পরে মনিরুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “আল্লাহর নিকট শুকরিয়া। আজগুবী ও গায়েবি অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নাকচ করেছে। আমি কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই। কুমিল্লা-৬ এর জনগণ যারা আমার মনোনয়নে উদ্বিগ্ন ছিলেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আশা করি ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে কুমিল্লার জনগণ এসব ষড়যন্ত্রের সমুচিত জবাব দেবে ইনশাআল্লাহ।”
আইনজীবী ব্যারিষ্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলও জানান, “সকল ডকুমেন্টস দীর্ঘ শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই করে জনাব মনিরুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধতা বহাল রেখেছে।”










