
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) র্যাঙ্কিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) আয়োজনে ‘ওয়ার্কশপ অন এনএসটিইউ’স জার্নি টু এক্সিলেন্স: র্যাঙ্কিং ইনিশিয়েটিভ ইনাগুরেশন’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, কর্মশালায় আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং অ্যালামনাই সদস্যদের উপস্থিতি এ আয়োজনকে অর্থবহ করেছে। অ্যালামনাই সদস্যদের ধন্যবাদ যে তারা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক অবস্থানে নিয়ে যেতে হলে আমাদের এখন থেকেই কাজ করতে হবে। ইতিমধ্যে আমরা একটি র্যাঙ্কিং সেল গঠন করেছি। বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব নয়। এক্ষেত্রে আমাদের রিসার্চগুলো এমনভাবে করতে হবে যেনো এর একটি মার্কেট ভ্যালু সৃষ্টি হয়। হিট প্রজেক্টে আমরা পঁয়ত্রিশটির মতো প্রপোজাল জমা দিয়েছি। এর মধ্যে অর্ধেক প্রজেক্টও যদি আসে তাহলে আমরা একটি ফান্ড পাবো। যা দিয়ে আমাদের শিক্ষকবৃন্দ গবেষণায় ব্যাপৃত থাকতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরাও উপকৃত হবেন।
উপাচার্য আরও বলেন, স্কুপাস জার্নালে আমাদের শিক্ষকদের গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারলে তা কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে কার্যকর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও আইএসও সার্টিফাইড কিছু ল্যাব যদি আমরা করতে পারি তাহলে নোবিপ্রবিতে বিশ্বমানের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। আজকের প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সামগ্রিক বিষয়ে আপনাদের একটি ধারণা গড়ে উঠবে এবং র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে আশা করছি।
আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ। কর্মশালায় কি-নোট স্পিকার ছিলেন এনএসটিইউ র্যাঙ্কিং ইমপ্রুভমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব এবং ফার্মেসী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাহাদ হুসাইন। প্রোগ্রাম মডারেটর ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।
প্রসঙ্গত, র্যাঙ্কিং বিষয়ক দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী অ্যালামনাইবৃন্দ ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।