মে ২৭, ২০২৪

সোমবার ২৭ মে, ২০২৪

১০২ পেরিয়ে ১০৩-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Dhaka University passed 102 to 103
১০২ পেরিয়ে ১০৩-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

১০২ বছর পেরিয়ে ১০৩ বছরে পদার্পণ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার এ দিনটি প্রতিবছর ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়’

পূর্ব বাংলার পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠীর উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রাচ্যের অক্সফোর্ড-খ্যাত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯২১ সালের এই দিনে শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করেছিল। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়’।

এবারও দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এরই মধ্যে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে উপাচার্য ভবন, কার্জন হল, কলা ভবন ও ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশপথে তোরণ নির্মাণ এবং রোড ডিভাইডার ও আইল্যান্ডসমূহে সাজ-সজ্জা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিক ভবনগুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

১৯২১ সালের ১ জুলাই ছাত্রছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার দুয়ার। তৎকালীন ঢাকার সবচেয়ে অভিজাত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রমনা এলাকায় প্রায় ৬০০ একর জমির ওপর পূর্ববঙ্গ এবং আসাম প্রদেশ সরকারের পরিত্যক্ত ভবন ও ঢাকা কলেজের (বর্তমান কার্জন হল) ভবনগুলোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

তিনটি অনুষদ ও ১২টি বিভাগ নিয়ে একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু হয়। প্রথম শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৭৭ জন এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিল ৬০ জন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩টি অনুষদ, ১৩টি ইনস্টিটিউট, ৮৪টি বিভাগ, ৬০টি ব্যুরো ও গবেষণা কেন্দ্র এবং ছাত্রছাত্রীদের ১৯টি আবাসিক হল, ৪টি হোস্টেল ও ১৩৮টি উপাদানকল্প কলেজ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ১৫০ জন। পাঠদান ও গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছেন প্রায় ২ হাজার ৮ শিক্ষক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরে থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামা ১ জুলাই সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র সম্মুখস্থ পায়রা চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশদ্বারে তোরণ নির্মাণ এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।