মে ২৭, ২০২৪

সোমবার ২৭ মে, ২০২৪

স্পেসএক্সে চাকরি পেল ১৪ বছরের বাংলদেশি বংশোদ্ভূত কিশোর

স্পেসএক্সে চাকরি পেল ১৪ বছরের বাংলদেশি বংশোদ্ভূত কিশোর
স্পেসএক্সে চাকরি পেল ১৪ বছরের বাংলদেশি বংশোদ্ভূত কিশোর। ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ১৪ বছর বয়সে ইলন মাস্কের মহাকাশবিষয়ক প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি পেলেন বাংলদেশি বংশোদ্ভূত কিশোর।

বয়স মাত্র ১৪ বছর। আর এই বয়সেই চাকরি পেলেন কাইরান কাজী। ইলন মাস্কের মহাকাশবিষয়ক প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগ দিচ্ছেন বাংলদেশি বংশোদ্ভূত এই কিশোর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা ক্লারা ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে পাস করার কিছুদিন আগেই এই চাকরি পেয়েছে কাইরান কাজী।

স্পেসএক্স-এর স্টারলিংক টিমে যোগদানের ব্যাপারে উচ্ছ্বসিত কাইরান বৃহস্পতিবার লিংকডইনে লিখেছেন, তিনি ‘বিশ্বের সবচেয়ে সেরা কোম্পানির’ স্টারলিংক ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে যোগ দিতে যাচ্ছেন।

কাইরান আরও লিখেছেন, স্পেসএক্স সেই সব বিরল কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি যারা কিনা তার বয়সের মতো পুরনো মানদন্ড দিয়ে তার সক্ষমতা ও পরিপক্কতা বিবেচনা করেনি। উল্লেখ্য যে, স্টারলিংক স্পেসএক্স-এর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান।

হিসেব অনুযায়ী, পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই চাকরি পেয়েছে কিশোর কাইরান। এখন মায়ের সঙ্গে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওয়াশিংটনে ঠিকানা বদলের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এ কিশোর।

এবিসি ৭ নিউজকে কাজী বলেছে, ‘অনেকে মনে করে, আমি শৈশব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি; কিন্তু আমার মনে হয় না বিষয়টি ঠিক। সেই মনোভাব থাকলে আমি এত দিনে মাধ্যমিক স্কুলে থাকতাম।’

কাইরানের বাবা-মা জানিয়েছেন, ছোট থেকেই বিশ্বের নানা বিষয়ে কৌতূহল কাইরানের। দু’বছর বয়সের মধ্যেই পুরো বাক্যে কথা বলতে পারত সে। সে যখন থার্ড গ্রেডে পড়ে তখন সে বাড়িতে জানায় যে স্কুলের পাঠ্যক্রম তার খুব সহজ লাগছে। তারপরই তাকে কমিউনিটি কলেজে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন তার বাবা-মা।

অবসর সময়ে ঐতিহাসিক ঘটনার ছায়ায় তৈরি কম্পিউটার গেম খেলতে ভালবাসেন কাইরান। বই পড়ার ক্ষেত্রে কল্পবিজ্ঞানের পোকা। তার প্রিয় লেখক ফিলিপ কে ডিক। সাংবাদিকদের মধ্যে তার প্রিয় অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ মাইকেল লুইস।

কাইরান ইন্টেন ল্যাবসা’তে একজন এআই রিসার্চ কো-অপ ফেলো হিসেবে ইন্টার্নশিপ করেন এবং মাত্র ১১ বছর বয়সে কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হন।

গত বছর সে ব্ল্যাকবার্ড ডট এআই নামের এক সাইবার ইন্টেলিজেন্স ফার্মে চার মাস মেশিন লার্নিংয়ের ইন্টার্ন হিসেবে কাজ করে। সেখানে সে সামাজিক মাধ্যমের কনটেন্ট ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা শনাক্তের পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি তৈরি করে।