এপ্রিল ২০, ২০২৪ ১১:১৬ অপরাহ্ণ
এপ্রিল ২০, ২০২৪ ১১:১৬ অপরাহ্ণ

কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেওরা’ গানে নিজের জাত চেনালেন ইসলাম উদ্দিন

কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেওরা’ গানে নিজের জাত চেনালেন ইসলাম উদ্দিন
কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেওরা’ গানে নিজের জাত চেনালেন ইসলাম উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

ওস্তাদের কাছে পালাগান শিখতে ১৭ বছর বয়সে বাড়িতে কাউকে না জানিয়ে বের হয়েছেন তিনি। ওস্তাদের (কুদ্দুস বয়াতি) সঙ্গে ৯ মাস ঘোরাঘুরি করে পালাগান শিখে বাড়ি ফিরেছে ইসলাম উদ্দিন।

তিনি বলেলন, বছর দুই আগে একটি পালা রচনা করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলকে নিয়ে লেখা ইতিহাসনির্ভর পালাটির নাম ‘শেখ রাসেলের করুণ কাহিনি। করোনাভাইরাসে জন্য পালাগান করতে পারে নি। তখনি ভাবলাম আমি পালাগান রচনা করব। পালাটি লিখতে ৯মাস লেগেছে।

এতে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রাসেলকে নিয়ে গান আছে। প্রধানমন্ত্রীকে পালাটা দেখাতে পারলে ধন্য হতাম।’

আমরা যে পালাগুলো করি, সব কাল্পনিক। কে রচনা করেছেন, কেউই তা বলতে পারবে না। এগুলো মুখে মুখে শিখেছি।কোনো বইয়ে লেখা নাই। কাল্পনিক পালাগুলো অভিনয় করে মানুষকে বিশ্বাস করাই। এমনভাবে পালা করতে হয় যেন মানুষ সেটিকে বাস্তব মনে করে।

চার দশকের ক্যারিয়ারে পালাগান নিয়ে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিলেত ঘুরে এসেছেন তিনি; এবার কোক স্টুডিও বাংলার ‘দেওরা’ গানে নিজের জাত চেনালেন ইসলাম উদ্দিন।

দেওরা’ গানটি প্রচারের পর দেশ ও দেশের বাইরের থেকে একের পর এক ফোন পাচ্ছেন ইসলাম উদ্দিন। এলাকায় তাঁর কদরও বেড়েছে, অনেকেই তাঁকে গান শোনানোর অনুরোধ ও করছেন। আপনার স্বপ্ন কী? জানতে চাইলে ইসলাম উদ্দিন বললেন, ‘আমার স্বপ্ন আর কিছু নাই। যে গানটা করছি, গানটা ভাইরাল হইছে, এতেই আমি ধন্য। আমার গান আগেও ভাইরাল হয়েছে। এই গানটা গাওয়ার পর আরও অনেকেই আমাকে চিনতেছে। বিদেশে থেকেও অনেকে ফোন দিচ্ছে। যারা আমাকে আগে দেখেনি, তারাও আমাকে চিনতে পারছে। আমি কোক স্টুডিও বাংলা, প্রীতম হাসান ভাইসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।

১৯৯৯ সালে যুক্তরাজ্য আয়োজিত বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যালে পালাগান করে এসেছেন তিনি। এর বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে প্রশিক্ষণও দিয়েছেন ইসলাম উদ্দিন। তিনি ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত নিমাতা আবু সাইয়ীদের কিওনখোলা সিনেমায় ‘ গানও’ করেছে।