
প্রকাশিত হল চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর নয়টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩.০৪ শতাংশ। এদিকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।
এবারের ফলাফলে যা গত বছরের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গতবার পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৪২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ৬২৩ জন।
এদিকে, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সচিব প্রফেসর নূর মোহাম্মদ প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, এবার এ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ১০০ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৫ হাজার ২৬৪ জন ও ছাত্রী ৬ হাজার ৮৩৬ জন।
জানা গেছে, এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লার এক হাজার ৭৮০টি বিদ্যালয়ের এক লাখ ৭৯ হাজার ৩২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
এদের মধ্যে ছাত্র ৭৪ হাজার ৭৩০ জন এবং ছাত্রী এক লাখ ৪ হাজার ৫৯৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ৮১ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ৫৮ হাজার ৭৮২ জন এবং ছাত্রী ৮৩ হাজার ২৯৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৩৭ হাজার ২৪৪ জন। এবার পাসের হার ৭৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ১০০ জন।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সচিব প্রফেসর নূর মোহাম্মদ প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, এ শিক্ষা বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগের পাসের হার ৯৫ ভাগ। এ বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৬০ হাজার ৭৫৬ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৬০ হাজার ৫৪৮ জন। এর মধ্যে উর্ত্তীর্ণ হয়েছে ৫৭ হাজার ৫১৯ জন।
মানবিক বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৯৪। এ বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৯ হাজার ৭১১ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৯ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে উর্ত্তীর্ণ হয়েছে ৩৯ হাজার ৯৭২ জন।
ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৪৯। এ বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৯ হাজার ৬৬ জনের মধ্যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ হাজার ৫৯০ জন। এর মধ্যে উর্ত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ হাজার ৫৯০ জন।
প্রফেসর নূর মোহাম্মদ জানান, শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় এবার ৯৮ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
তবে জেলাভিত্তিক পাশের হারে, চাঁদপুর ৮৩ দশমিক ৩২ সবচেয়ে এগিয়ে আর সবচেয়ে পিছিয়ে নোয়াখালী। কুমিল্লা জেলা রয়েছে ২য় অবস্থানে। আর জিপিএ ফাইভের দিক দিয়ে কুমিল্লা এগিয়ে।
এর আগে, রোববার (১২ মে) সকালে ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ফলাফলের কপি প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত ১২ মার্চ। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষায় ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করে।










