মে ২২, ২০২৪

বুধবার ২২ মে, ২০২৪

অবশেষে চাকরি পেলেন ইডেনের সেই মুক্তা

অবশেষে চাকরি পেলেন ইডেনের সেই মুক্তা
অবশেষে চাকরি পেলেন ইডেনের সেই মুক্তা। ছবি: সংগৃহীত

২৭ বছরে অর্জিত সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী মুক্তা সুলতানা। সম্প্রতি এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পে চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে মুক্তার।

জানা যায়, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের ১ লাখ তরুণদের কর্মসংস্থান করার যে প্রকল্প তাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও কমিউনিকেশন অফিসার হিসেবে তার চাকরি হয়েছে।

সোমবার (২৯ মে) আগারগাঁওয়ে মুক্তা সুলতানার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

এসময় প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, আপাতত ছয়মাসের জন্য মুক্তা সুলতানার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছে। স্থায়ীর বিষয় বলব না তবে বিশ্বাস করি সে ছয় মাসের আগেই নিজের একটা জায়গা তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

চাকরি পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে ধন্যবাদ জানান কিশোরগঞ্জের মেয়ে মুক্তা।

এর আগে গত মঙ্গলবার (২৩ মে) ইডেন কলেজের সামনে মুক্তা তার নিজের ফেসবুক লাইভে থেকে সার্টিফিকেটে আগুন ধরিয়ে দেন।

জানা যায়, চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় ক্ষোভে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের সব অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট পুড়িয়ে ফেলেছেন ওই শিক্ষার্থী। চাকরির বয়সসীমা অতিক্রম হয়ে যাওয়ায় এই সার্টিফিকেট আর কোনও সরকারি বা বেসরকারি চাকরির কাজে লাগবে না জানিয়ে এ কাজ করেছেন ওই শিক্ষার্থী।

মুক্তা জানান, তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা ২০১৫ সালে হলেও ২০১৯ সালে তার সার্টিফিকেট ইস্যু হয়। এর ফলে ৪ বছর তিনি কোথাও চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেননি। চাকরির বয়সসীমা অনুযায়ী তার আবেদনের সময়ের ৪ বছর সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষা করতে করতেই ফুরিয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়াসহ পৃথিবীর কোথাও এই বয়স সীমা নেই। শুধু বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে এ অবস্থা। ২৭ বছর পড়াশোনা করে যদি আবেদনই না করতে পারি, তা হলে পড়াশোনা করে লাভ কী?